Image
জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ
দফায় দফায় জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে নগরীর মিশন পাড়া এলাকায় কেব্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি পালিত হয়।
​বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার। তিনি বলেন, “জনগণের ওপর একের পর এক জনবিরোধী সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি পাওয়া সাধারণ মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আমরা আন্তর্জাতিক বাজারের দর সম্পর্কে অবগত আছি। এই মূল্যবৃদ্ধি জনগণ মেনে নেবে না, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং খেটে খাওয়া সাধারণ জনগনকে নিয়ে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলব।”
​নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, “দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন গতি রোধ করতে না পারলে জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। আপনারা যে কার্ডই দেন না কেন, মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ও বেঁচে থাকার তাগিদেই মাঠে থাকবে। অনতিবিলম্বে জ্বালানী তেল ও বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
​ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, “ইসলামী ব্যাংক একটি সুদবিহীন ব্যাংক। যারা এই ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে, প্রশ্নবিদ্ধ ব্যক্তিদের পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ এই ব্যাংকের কার্যক্রমে জামায়াতে ইসলামীর নাম জড়াতে চায়, জামায়াতের লোক যদি এই ব্যংকে আমানত রাখে,শেয়ার হোল্ডার থাকে তাহলে তারা তাদের আমানত রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামী ব্যাংককে রক্ষার জন্য দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাব।”
​উল্লেখ্য, গত ১ জুন জ্বালানি তেলের দাম এবং ৩ জুন বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে জনগণের সাথে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শামিল বলে অভিহিত করেন বক্তারা।
​উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
​সমাবেশে বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকারের এসব হঠকারী সিদ্ধান্ত জাতি আর মেনে নেবে না। অবিলম্বে জনস্বার্থবিরোধী এসব সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।


Image
ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশে পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত হামলা, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও বলপ্রয়োগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি,  মো: আবদুল জব্বার ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশে পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত হামলা, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও বলপ্রয়োগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে যে, ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের একটি কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগ করে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করে।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকদের শান্তিপূর্ণভাবে মতপ্রকাশ, সমাবেশ ও ন্যায়সঙ্গত দাবি উত্থাপনের অধিকার সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। জনগণের ন্যায্য দাবির মুখোমুখি হয়ে বলপ্রয়োগ কোনো সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আচরণ হতে পারে না। ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা তাদের আমানত, ব্যাংকের সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে সমবেত হয়েছিলেন। তাদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়।”

তিনি আরও বলেন, “যারা জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বে নিয়োজিত, তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই ঘটনার মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুন্ন  হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।”

আবদুল জব্বার অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠূ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান এবং হামলার নির্দেশদাতা ও প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তিনি আহত গ্রাহকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে জনগণের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা প্রদান ও বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বিবৃতির শেষে তিনি বলেন, “ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও নাগরিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনই একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের পরিচয়। আমরা আশা করি, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করবে।”

প্রচার বিভাগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী
তারিখ: ১ জুন ২০২৬।


Image
🐄🌙 পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কারের আহ্বান 🌙🐄

🐄🌙 পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কারের আহ্বান 🌙🐄
পবিত্র ঈদুল আজহা ত্যাগ, তাকওয়া, মানবতা ও পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা দেয়। কোরবানির মাধ্যমে যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা হয়, তেমনি আমাদের চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাও ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। কোরবানির পর পশুর বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলে রাখলে পরিবেশ দূষিত হয়, দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং জনদুর্ভোগ বাড়ে। তাই কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা আমাদের ঈমানি ও নাগরিক দায়িত্ব।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমির মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন—
“কোরবানি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়; বরং এটি তাকওয়া, শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতারও শিক্ষা দেয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ কোরবানির বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে এবং পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।”
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেনঃ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং যারা পবিত্রতা অর্জন করে তাদের ভালোবাসেন।”
— সূরা আল-বাকারা: ২২২
অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেনঃ
“আর তোমার পোশাক পরিচ্ছন্ন রাখো।”
— সূরা আল-মুদ্দাসসির: ৪
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক।”
— সহিহ মুসলিম
আরেক হাদিসে এসেছে—
“রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা সদকা।”
— সহিহ বুখারি ও মুসলিম
আসুন, আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হই, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করি, ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক ব্যবহার করি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে সিটি করপোরেশন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতা করি।
ত্যাগের এই মহান শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি জীবন, সমাজ ও নগরকে হোক আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও কল্যাণময়।
সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। 

ঈদ মোবারক।


Image
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার জন্য, যিনি আমাদেরকে আবারও পবিত্র ঈদুল আযহার মহিমান্বিত দিন পর্যন্ত পৌঁছার তাওফিক দান করেছেন। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক মানবতার মুক্তির দূত মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) -এর প্রতি।
পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের সামনে ত্যাগ, আনুগত্য, তাকওয়া, ভ্রাতৃত্ব ও আল্লাহভীতির অনন্য শিক্ষা তুলে ধরে। হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাঈল (আ.) -এর অতুলনীয় কুরবানির স্মৃতি মুসলিম 


উম্মাহকে যুগে যুগে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শিক্ষা দিয়ে আসছে।
মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন—
“আল্লাহর কাছে পৌঁছে না তাদের গোশত ও রক্ত; বরং তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।”
— সূরা আল-হাজ্জ: ৩৭

অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন—
“অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং কুরবানি কর।”
— সূরা আল-কাউসার: ২
রাসূলুল্লাহ মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—
“আল্লাহর নিকট কুরবানির দিনের আমলের মধ্যে রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে অধিক প্রিয় কোনো আমল নেই।”
— জামে তিরমিযি, হাদিস: ১৪৯৩
আরও এসেছে—
“যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।”
— সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩১২৩

প্রিয় নারায়ণগঞ্জবাসী,
আজ দেশ ও জাতি নানা সংকট, অস্থিরতা, বৈষম্য, দুর্নীতি ও নৈতিক অবক্ষয়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। এই পরিস্থিতিতে ঈদুল আযহার ত্যাগের শিক্ষা আমাদেরকে আল্লাহভীতি, ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও পারস্পরিক সহমর্মিতার ভিত্তিতে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের আহ্বান জানায়।
আসুন, আমরা ঈদের আনন্দ ধনী-গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিই। আত্মীয়তার বন্ধন সুদৃঢ় করি, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখি এবং ইসলামের সুমহান আদর্শ বাস্তবায়নে নিজেদের নিয়োজিত করি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের কুরবানি কবুল করুন, দেশকে শান্তি, সমৃদ্ধি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজে পরিণত করুন এবং মুসলিম উম্মাহর উপর তাঁর রহমত বর্ষণ করুন। আমীন।

ঈদ মোবারক।

                                                                                                      শুভেচ্ছান্তে—

মাওলানা মো: আব্দুল জব্বার                                                                                                                             ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন
আমীর                                                                                                                                                        সেক্রেটারী
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী                                                                                                                             বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
নারায়ণগঞ্জ মহানগরী                                                                                                                                       নারায়ণগঞ্জ মহানগরী


Image
"ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিক মূল্যবোধ ছাড়া ঘুণে ধরা সমাজের পরিবর্তন সম্ভব নয়-মাওলানা আবদুল জব্বার

"ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিক মূল্যবোধ ছাড়া ঘুণে ধরা সমাজের পরিবর্তন সম্ভব নয়। সমাজ থেকে অপরাধ, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অবক্ষয় দূর করতে পারিবারিক শিক্ষা, ধর্মীয় চর্চা এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার কোনো বিকল্প নেই।"

 
- মাওলানা আবদুল জব্বার, আমীর, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী।


Image
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার উদ্যোগে আয়োজিত উপজেলা থানা কর্মপিরষদ ও শুরা সদস্য সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার উদ্যোগে আয়োজিত উপজেলা থানা কর্মপিরষদ ও শুরা সদস্য সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।


Image
সমাজে মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি  জীবনযাত্রা আজ শংকিত করে তুলেছে -আব্দুল জব্বার

সমাজে মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি  জীবনযাত্রা আজ শংকিত -আব্দুল জব্বার

 
সমাজের সর্বস্তরে মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আজ গভীর শঙ্কার মুখে পড়েছে। চারদিকে অনিরাপত্তা, নৈতিক অধঃপতন ও সামাজিক অস্থিরতা ক্রমেই উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা ব্যাপকভাবে প্রসার করা এবং সর্বক্ষেত্রে  আইনের শাসন নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। শিশু রামিসা র নির্মম ও অবর্ণনীয় হত্যাকান্ড আইনের শাসন না থাকার এক পরিহাস।  সকল বিবেক বান মানুষ সহ সকলেই  এ হত্যাকাণ্ডের বিচার অতিদ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চায়। 


Image
সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত না করে কোনো কর আরোপ করা যাবেনা -নগর জামায়াত আমীর আব্দুল জব্বার

সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত না করে কোনো কর আরোপ করা যাবেনা -নগর জামায়াত আমীর আব্দুল জব্বার

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এরিয়াতে নাসিকের "আবাসিক গভীর নলকূপ" এর উপর করারোপ ও রেজিষ্ট্রেশান বাধ্যতামূলক করায় এখানকার নাগরিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে । তাদের বক্তব্য হলো সিটি কর্পোরেশান বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ । তাই নাসিকের এই অধিকার নেই যে, নলকুপের উপর অন্যায় ভাবে করারোপ করা ও নলকূপের রেজিষ্ট্রশান বাধ্যতামূলক করা ।আমি নগরের জনগনের মতের সাথে সম্পূর্ণ সহমত পোষন করছি। নাসিক প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়াসার মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পরেই কেবল মাত্র সর্ব সম্মতিক্রমে নলকুপের উপর করারোপ করা যেতে পারে। আমি নাসিকের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, দ্রুত নলকুপের উপর করারোপ প্রত্যাহার ও বাধ্যতামূলক রেজিষ্ট্রেশান বন্ধ করুন।


Image
নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের থানা দায়িত্বশীল সমাবেশ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে থানা দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার রামারবাগ এলাকার একটি মিলনায়তনে থানা দায়িত্বশীল নিয়ে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সাড়ে ৭ কোটি শ্রমিক রয়েছে। এই শ্রমিকের কল্যাণের কথা সবাই বলে; কিন্তু দুর্ভাগ্য শ্রমিকের কোনো সমস্যার সমাধান হয় নাই। আমাদের নায্য মজুরি পাচ্ছি না। ৮ ঘণ্টা কর্মঘণ্টার কথা বলা হয় কিন্তু বাংলাদেশের কোথাও ৮ ঘণ্টা কর্মঘণ্টা চালু হয় নাই। কোথাও কোথাও ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত শ্রমিকদের কাজ করতে হয়।

শনিবার (১৬ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার রামারবাগ এলাকার একটি মিলনায়তনে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন জেলা ও মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে তাদের থানা দায়িত্বশীল নিয়ে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, শ্রমিক আন্দোলন হয়েছে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ হয়নি। যখন তখন শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়ে থাকে। উৎসবের দিনগুলোতে পর্যন্ত মালিকরা শ্রমিকদের ছুটি দিতে চান না। উৎসবের দিন যদি ছুটি না দিয়ে থাকে তাহলে সেখানে মানবিকতা থাকে না। সামনে জাতীয় বাজেট আসছে। তার আগেই বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বাজেট প্রস্তাবনা দিবে।

তিনি আরও বলেন, সরকাকে বলবো আপনারা অনেক কথা বলেন। আমরা শ্রমিকরা কোনো কার্ড ভিক্ষা চাই না; ন্যায্য অধিকার চাই ইনসাফ চাই। ইনসাফ দেন বৈষম্য দূর করেন আর অধিকারটা দেন কোনো কার্ড না হলেও আমাদের সমস্যা নাই। আমরা কাজ চাই মজুরি চাই। দেশের একজন শ্রমিক হিসেবে সামাজিক মর্যাদা চাই।

এই শ্রমিকনেতা বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন প্রচলিত ধারার কোনো শ্রমিক আন্দোলন নয়। আমরা শ্রমিক মালিকের সম্পর্ক চাই। ইন্ডাস্ট্রি টিকলে শ্রমিকের চাকরি থাকবে মালিক টিকলে শ্রমিকরা বেতন পাবে। আমরা শ্রমিকদের স্বার্থ দেখবো পাশাপাশি মালিকদেরও স্বার্থ দেখবো। ২৪ এর আন্দোলনে ১২০ জন শ্রমিক জীবন দিয়েছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বৈষম্যের শিকার শ্রমিক মানুষরা। নারী পুরুষের বেতনে বৈষম্য আছে। অনেক জায়গায় ট্রেড ইউনিয়ন করা যায় না।

বর্তমান সরকার মুখে বললেও প্রকৃত অর্থে সংস্কার বিরোধী উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কার বিরোধী সরকার তার প্রমাণ হচ্ছে তারা শ্রম আইনের কোনো সংস্কার মানে নাই। আমরা বিগত দেড় বছর বহু মিটিং করে দুই জায়গায় সংস্কার এনেছিলাম। এরা পার্লামেন্টে আলোচনা না করেই এই দুই জায়গায় পরিবর্তন করে আগের জায়গায় নিয়ে আসছে। তিনি আরো বলেন শ্রমিকলীগ শ্রমিকদল সেজে চাঁদাবাজি করবেন লুটপাট করবেন দখলবাজি করবেন এটা আমরা হতে দিবো না। কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানে নেতা হয়ে শ্রমিক শোষণ করার সুযোগ করে দিবো না।
জুলাই আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জ এর শ্রমিকদের অবদান স্মরণ করে দিয়ে তিনি বলেন বিপ্লবের রেজাল্ট ঘরে তোলার জন্য শ্রমিকদের আগামী দিনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে হবে।
সকল সেক্টরে ট্রেড ইউনিয়ন বৃদ্ধি করে ঘরে ঘরে শ্রমিক কল্যাণের দাওয়াত পৌছে দিতে হবে। আর সকল কাজের মুল উদ্দেশ্য থাকবে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।  শ্রমিকের অধিকার আদায়ে সবার আগে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এর নেতৃবৃন্দ কে এগিয়ে যেতে হবে।
প্রোগামের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে দারস পেশ করেন মাওলানা আব্দুশ শাকুর।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফোডারেশনের সভাপতি আব্দুল মোমিনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিতি ছিলেন জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান, মহানগর সহ-সভাপতি মুন্সি আব্দুল্লাহ ফয়সুল, মহানগর সেক্রেটারি সোলাইমান হোসাইন মুন্না, জেলা সেক্রেটারি মো: রেদোয়ানুল আজিম, মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ খোরশেদ আলম রবিন সহ জেলা মহানগরীর  বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।


Image
রূপগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তারিখ : ১৫.০৫.২৬

রূপগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

একটি বৈষম্যহীন মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য ইসলামি আদর্শের বিকল্প নেই
---------------------------
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেছেন, একটি বৈষম্যহীন মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য ইসলামি আদর্শের বিকল্প নেই।

তিনি আজ ১৫ মে  জুমাবার সকালে তারাবো পৌর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত  রূপগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট সভাপতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। 

জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য এডভোকেট ইসরাফিল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ -১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ইসলামি ছাত্র শিবিরের জেলা সভাপতি আকরাম হোসাইন প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, ইসলাম মানবতার মুক্তি সনদ। মানব জীবনের সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে কেবলমাত্র আল কুরআন।  কুরআনের বিধানই কেবলমাত্র সব বৈষম্য দূর করে একটি কল্যাণময় রাষ্ট্র গঠন করতে পারে। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় জামায়াতে ইসলামীর মজবুত সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেছেন,  জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা ছিলো পুরোনো রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির মূলোৎপাটন করে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়া হবে। এ জন্য জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।  কিন্তু নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন মহল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যে গাদ্দারী জনগণ এর সমূচিৎ জবাব দিবে ইনশাআল্লাহ। 

আনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন,  পুরোনো রাজনৈতিক অপসংস্কৃতিতে রূপগঞ্জে চাদাবাজি, দখলবাজি, সন্ত্রাস, মাদক এবং প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে গোলাগুলির যে ধারা আবার শুরু হয়েছে তা বন্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ইসরাফিল হোসাইন বলেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে জনগণ আবার রাজপথে নামবে এবং তাদের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

সম্মেলনের শেষে জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার  স্থানীয় নির্বাচনে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করেন।  ঘোষিত প্রার্থীগণ হচ্ছেন :

উপজেলা চেয়ারম্যান - আবদুল মোতালিব ভূইয়া,  উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান - এডভোকেট ইসরাফিল হোসাইন।
কায়েতপারা ইউনিয়ন :  এড. আবদুস  সামাদ মোল্লা
দাউদপুর ইউনিয়ন :  কামারুজ্জামান কামাল
মুড়াপারা ইউনিয়ন : হাফেজ  ফেরদাউসুর রহমান
ভোলাব ইউনিয়ন :  এড.  রায়হান ইসলাম
ভুলতা ইউনিয়ন : মোহাম্মদ  জাহাংগীর মোল্লা